একগুচ্ছ ভালোবাসার গল্প আপনাকে শিহরিত করবে

ভালোবাসা কোন আগন্তুক অকল্পিত পরিকল্পিত বাক্য নয় এটি কেবলমাত্র সহিন একটা ভালোবাসার গল্প। আজকে আপনার সাথে ভালোবাসার আরেকটি গল্প নিয়ে আমি আছি আপনাদের সাথে সাইফুল ইসলাম।  ভালোবাসার এই পুরো গল্পটি আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব আমি। যদিও এটি বাস্তবের সাথে কোন মিল নেই তবে বর্তমান সমাজে এমনটা অস্বাভাবিক কিছু নয় এবং বর্তমান সমাজের প্রেক্ষিতে ভালোবাসার এই গল্পটি তৈরি হচ্ছে আমার নিকট। 

আমার নাম ইয়াসমিন। আমার বয়স বর্তমানে ১৭ বছর রানিং। এডুকেশন যোগ্যতায় বর্তমানে আমি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে লেখাপড়া করি আমাদের এলাকার কলেজে।  জানেনতো কলেজের বড় ভাই নামে একটা অভিশাপ সব জায়গা থাকে তেমনটা আমাদের এই কলেজেও আছে।  চমকে গেছেন আমি বড় ভাই নামে অভিশাপ বলেছি এটা আসলে এটা চমকে যাওয়ার কথা তাহলে দেখবেন যারা আপনার বড় ভাই রয়েছেন আপনাকে তাদের কথা শুনতে হচ্ছে নিয়মিত তাদের কথার বাইরে আপনি কিছুই করতে পারছেন না কলেজে এমনকি তাদের কথার সামনে আপনি একটি ছেলের কথা রাখতে হবে এমন একটা সিচুয়েশনে আপনি পড়ে যেতে পারেন ঠিক মতন ভাবে এমন কি আমার সাথে হয়েছিল এবং সেটি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি আমি।

আমার কলেজের বড় ভাইয়ের নাম ছিল “শফিউল ইসলাম” লোকটাকে দেখে বোঝাই যায় না এতটা গরম মেজাজের এবং এতটা পাষাণ তিনি তবে উপর থেকে একদম যেন ফেরেশতার মতো দেখতে যদিও তার মধ্যে সবসময় একটা রাগান্বিত শয়তান বসবাস করত।  অদ্ভুত হয়েছেন তাকে বলেছে তাই না আসলে এটা আমি তাকে সব সময় বলে থাকে এবং এটা শুনতে শুনতে এখন অভ্যস্ত সে এখন তাকে শয়তান বলা মোটেও প্রতিবাদ করে না বরং তিনি আরো খুশি হয় আমার মুখে শোনাতে। 

►► আরো দেখো: জীবনের সাফল্য কোথায় থাকে?

►► আরো দেখো: সেদিন রাতের ভয়ঙ্কর আর্তনাদ

একগুচ্ছ ভালোবাসার গল্প

তাহলে শুনবেন আমাদের ভালোবাসার শুরুটা কেমন ছিল?  একগুচ্ছ ভালোবাসার গল্প আপনাদের সাথে আমি শেয়ার করছি।  তখন ছিল সময়টা ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের দিকে আমি যখন কলেজে প্রথম ভর্তি হই এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে তখন থেকেই আমার পিছনে বিভিন্ন মানুষজন লাগিয়ে দিয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ শুরু করে যদিও তখন অতটা অবুঝ আমার হয়নি আবার একদম কম বুঝ  তাও না।

এসএসসি পরীক্ষা মেয়ে ভালই ভুল হতে পারে এটা আপনিও জানেন আমিও জানি অনুরূপভাবে আমার তাৎক্ষণিক আমার মধ্যে ধারণ ছিল আমি বুঝতে পারতাম আমার পিছনে ছেলেপেলে ঘোরাঘুরি করছে কিন্তু আমি এগুলো পাত্তা না দিয়ে আমার নিজের লেখা পড়া সবকিছু নিয়মিত কন্টিনিউ করে যেতাম নিয়মিত সবকিছু ঠিকঠাক ভাবে পড়ে যেতাম কিন্তু কে জানত ওই শয়তান বদের হাড্ডি আমার পিছনে সারাক্ষণ পড়ে থাকবে।  ও হ্যাঁ শুনলাম ওর বাসায় কোন কাজ বাজ নেই আমাদের প্রচুর টাকা তাই বাসায় কোন কাজ করতে হয় না সারাদিন আড্ডা খাওয়া-দাওয়া আর ঘুম নিয়ে ব্যস্ত সে সারাদিন।

 হোক সে ব্যস্ত তাতে আমার কি আমি তো আমার মতো!  না আমার মত বলতে আমি চেয়েছিলাম আমার মত হতে কিন্তু সেটা আর কই পারলাম আমার মত তোমার হতে দিল না ওই শয়তান আমাকে নিয়মিত জ্বালাতন করে যেত।  করেই যত জ্বালা পিছনে ঘুর আমি জানতে কিছু প্রশ্ন অধ্যাপক এর নিকট কোন নালিশ বা অভিযোগ করতে পারছি না কলেজের বড় ভাই বলে কথা বিষয়টি মেনে নিয়ে আমি আমার মতো করে থাকতাম আর শয়তান আমার পিছে সর্বক্ষণ গড়াগড়ি করতো হয়তো বিষয়টি আরও আমার বন্ধুবান্ধবরা ফলো করলে আমাকে তেমন গুরুত্ব দিত না বিষয়টি নিয়ে।

গুরুত্ব দিবে কিভাবে কলেজের বড় ভাই বলে কথা গুরুত্ব দিলে হয়ত তাকে আবার কলেজের পিছনে নিয়ে কিছু পেদানি খেতেই হত এজন্য অনেকে তার কর্মকাণ্ড গুলো দেখেই সহ্য করে নেয় মোটেও প্রতিবাদ করেনা।  কেউ যখন প্রতিবাদ করে না সেখানে আমার প্রতিবাদ করার কি দরকার এটা ভেবেই তো আমি আমার লেখাপড়ার কাজ গুলো সামনের দিকে কান্ট্রি করেই যাচ্ছি করেই যাচ্ছি।  আমি ভাবতাম হয়তো এটা ক্ষণিকের জন্য আমার ঠিক হয়ে যাবে হয়তো উনি বুঝতে পারবে যে এত ছোট মেয়ের পেছনে ঘোরা ঠিক হবেনা বাজাতে পাত্তা দিচ্ছে না সেহেতু ওর পেছনে আর না যাওয়াই ভালো হবে কিন্তু সেটা না বুঝে প্রায় ছয় মাস হয়ে গেল আমিও পাত্তা দিচ্ছি না কিন্তু সে একদিনের জন্য আমার পেছনে মিস করছেনা প্রত্যেকদিন যে তোমার পিছনে হেঁটে হেঁটে যাচ্ছি কিছু বলার চেষ্টা করছে আবার পিছনে হেঁটে যাচ্ছে আমি বুঝতে পারলাম তার কিছু বলার আছে আমি জিজ্ঞেস করলাম আপনি কিছু বলতে চাচ্ছেন আমাকে? 

 আমি বুঝতে পারলাম তিনি সুযোগ পেয়েছে আমার সাথে কথা বলার তিনি বলল কিছুতো বলতে চাচ্ছি কিন্তু সে বলার সুযোগ তুমি কই দিচ্ছ।  আমি বললাম যে আপনি কলেজের বড় ভাই আপনার কথা সবাই শুনে আপনাকে আমার সুযোগ দিতে হয় নাকি আপনার কাছে বলার থাকলে বলতে পারেন আমাকে।  এ কথা বলার পরে তিনি একটু হেসে দিয়ে আমাকে বললেন তুমি তো খুবই ভালো বলতে পারো।  আমি বললাম বলতে পারি এটা আমার কমল একটা রোগ এবং আমি সবসময় বলেই থাকে এটা অস্বাভাবিক কিছু না। 

 শফিউল শয়তান বলে আছে তুমি কি খেয়াল করো না যে আমি সেই ছয় মাস আগে থেকে তোমার পেছনে ঘুরঘুর করেই যাচ্ছি করেই যাচ্ছি?  আমি বললাম হ্যা খেয়াল করি আমি ভাবলাম হয়তো আপনি কলেজের বড় ভাই তাই আমাকে প্রটেক্ট করার জন্য আমার পিছনে হাঁটছেন।  শফিউল শয়তান বলছে তোমাকে প্রটেক্ট আমি কেন করব তুমি কি আমার কিছু হয় নাকি?  আমি বললাম না তেমন কিছু হয় না তবে প্রটেক্ত করতেই পারেন যেহেতু আপনি কলেজের বড় ভাই আপনার তো আলাদা একটা দায়িত্ব থাকবে আমাদের উপর তাই না।  সফিকুল বলল ও আচ্ছা তুমি তো সবকিছুই বুঝে তাহলে আমার তো মনে হচ্ছে তুমি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্রী নয় তুমি ইউনিভার্সিটির ছাত্রী।

►► আরো দেখো: এডস লিমিট সমস্যার সমাধান করুন

►► আরো দেখো: ঝালকাঠিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

 আমি বললাম ও আচ্ছা আপনিও তো অনেক কিছু বুঝেন ঠিক আছে ভাইয়া বলেন এখন কিছু বলতে চাই না আমি আমার ক্লাসে যাইতে হবে।  সফিকুল বলল না আজকে তেমন কিছু বলব না মোটামুটি অনেক কথা হয়েছে অন্য একদিন তোমার সাথে আড্ডা দিব কোন এক রেস্টুরেন্টে অথবা কলেজের কেন্টিনে আমি বললাম হ্যাঁ আপনার সাথে আমি আড্ডা দেই আর আমার বাসায় এসে অভিযোগ পাঠা প্রফেসর মহোদয়।  আরে না কেউ অভিযোগ পাঠাবে না কারণ তুমি হয়তো খেয়াল করনি আমি এসব ছেলে মেয়েদের সাথে আড্ডা দিতে পছন্দ করি এবং সবার সাথে সব সময় হাসিখুশি থাকে তবে বিষয়টি খেয়াল করেছো।

 আমি বললাম হ্যা খেয়াল করেছি তবে আমি কিন্তু দেখেছি এজন্য আপনার সাথে আমি কথা বলতে ভয় ভয় পাচ্ছি শফিউল শয়তানগুলো আরে ভয়ের কিছু নেই রাগ নয় মাঝে মাঝে আমি কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলি যখন দেখি পোলাপান অনেক বেশী দুষ্টামি এবং অনেক বেশি ফাজলামো করে তখন আমি ওদেরকে শাস্তি দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে তুমি এটা চাইলে বদভ্যাস কিন্তু আমার ভালোবাসা বলতে পারো। 

আমি বললাম ঠিক আছে তাহলে আজকে আর কথা না বলি না অন্যদিন কথা বলবো শফিউল হুট করে বলল অন্যদিন কথা না বলে আজকেই বলি সেটা বাসায় গিয়ে আমি বললাম মানে কি আপনি আমার বাসায় আসবেন নাকি?  সফিকুল বলল না বাসায় যাব কেন এখন তো ডিজিটাল সময়ে বাসায় না গিয়েও মোবাইলের মাধ্যমে কথা বলা যায় এটা তো তুমি জানো। আমি বললাম হ্যাঁ যায় তো কি করব এখন? সফিকুল বলল চাইলে তুমি তোমার ফোন নাম্বারটি আমার সাথে শেয়ার করতে পারো আমি বললাম হ্যা আপনাকে আমি ফোন নাম্বার দেই আর আপনি সেটা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দেন। 

 সফিকুল বলল তুমি তো খুব পাকনা মেয়ে এত কথা কোত্থেকে শিখছো মনে তো হচ্ছে দেখে যে  ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ো কিন্তু এত কথা কোত্থেকে শিখছো আমি বললাম বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান তো এজন্য অনেক কথা শিখতে হয় আরো অনেককে শায়েস্তা করতে হয় শফিউল শুনে একটু হেসে বলল তাইনাকি কাউকে শায়েস্তা করেছে এখন পর্যন্ত আমি বললাম হ্যাঁ অনেক ছেলেকে করেছি স্কুলে থাকতে ও আচ্ছা তাই তো বলি এত কথা বলার মূল কারণ কোথায়। সফিকুল বলল ঠিক আছে ভাই আমার ফোন নাম্বার এর প্রয়োজন নেই আমি সময় করে তোমার সাথে দেখা করে নিব আমি বললাম ঠিক আছে নিয়েন যদি সুযোগ হয়।

 আমি এখানে শফিউল শয়তানকে মোটেও পাত্তা দিতে চাইনি তারপরও আমার কেন যেন মনে হচ্ছে ভালো ওর মন ভালো আর দেখতে-শুনতে বাসার না।  যদিও আমার দুটো বান্ধবী আছে তারা ওর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে কিন্তু কখনো সাহস করে বিষয়টি জানায় নি।  আমি জানি আমার এগুলো দেখে আমার দুই বান্ধবী তেলেবেগুনে জ্বলছে কিন্তু আমি কি করবো আমিতো চাচ্ছি না ওর সাথে কোন রিলেশনে আবদ্ধ হতে ওই শয়তান নিজ থেকেই তো আমাকে বিরক্ত করছে। 

এভাবে চলতে থাকে আরো বেশ কয়েক দিন। আমি আস্তে আস্তে কেন জানি শফিউল শয়তানের আচার-আচরণ কার্যকলাপগুলো ভালো লাগতে শুরু করছে আমি বুঝতে পারছি না আমার মাঝে মাঝে হাসি পায় ওর কার্যকলাপ দেখে কিন্তু একটা সময় আমি ভয় পেতাম কার্যকলাপ গুলো দেখে কিন্তু এখন আমার ভয় লাগছে না কেন যেনও আমি ওকে দেখলে সাহস যোগাতে পারি শফিউলকে দেখলে কেমন যেন আমার মনের মধ্যে একটা সাহস তৈরী হয় হয়তো ভালোবাসা তৈরি হচ্ছে এমন টা বলবেন কিন্তু না। 

আসলে সত্যি বলতে আমি নিজেও বুঝতে পারছি না আমার সাথে কেন এমনটা হচ্ছে এখানে আমি আগে শফিউল শয়তান কে ভয় পেতাম দেখলে কিন্তু সেখানে ইদানিং আমি ওকে দেখলে অনেকটা সাহস জোগাতে পারছে অনেকটা সাহস পাচ্ছে আর কোন ভয়ের মধ্যে থাকলে ওকে দেখলে আমার ভালই লাগছে আগে দেখলে যতটা বিরক্ত হতাম এখন দেখলেই ততটা ভাল লেগে যাচ্ছে কিন্তু কেন লাগছে আমি বুঝতে পারছি না এটাকে আবার কেউ ভালোবাসা বলে অপমান করবেন না। 

যাইহোক যাই লাগুক সেটা ব্যাপার না এভাবে চলতে থাকুক দেখি কতদূর বিষয়টা গড়ায় এটা ভেবে আমি আমার মতো করে সবকিছু কন্টিনিউ করতে লাগলাম তাছাড়া গ্রামের বাড়িতে থাকে মোটামুটি বয়স হলেই তো বাবা মা বিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করে আর কিছুদিন পরে আবার বিয়ের প্যারা শুরু করে দিয়েছে বাসা থেকে বিয়ে দিয়ে দিবে ছেলে দেখাবে আরো কত কিছু বিষয় গুলো একদম ছোটবেলা থেকে আমাকে বিয়ে দিচ্ছে এখনো বিয়ে দিতে পারেনি আমি বিষয়টা গুরুত্ব দিলামনা এভাবে চলতে থাকলো আমার জীবনযাত্রা।

তখন একা বসে আছে হয়তো আমার অপেক্ষায় ছিল যা বুঝলাম আমাকে ডাক দিল এদিকে আসো আমি তাৎক্ষণিকভাবে চলে গেলাম এবং অন্য সমস্যা না হয় আমি ওখানে বসে পড়লাম এবং আমাকে জিজ্ঞাস করবো তুমি কি কিছু লক্ষ্য করেছো আমার ব্যাপারে আমি বললাম আপনার ব্যাপার লক্ষ্য করার মত কিছুই তো আমি এখনো দেখিনি।  ফোন গুলো আসলেই কি তুমি কিছু লক্ষ্য করনি আমি বললাম না তবে আমি খেয়াল করেছি আপনি ইদানিং আমার পিছে একটু কম ঘুরছেন আগের তুলনায়।  লক্ষ্য করা উচিত কারণ আমার মনে আমার মনে হচ্ছে তুমি আমাকে ভালোবাসা না।  শফিউলের মুখে এমন বাক্য শুনে আমি কেমন যেন শিহরিত হয়ে গেছি আমি বললাম ভালোবাসি না মানে বুঝলাম না আমি আপনাকে কখনো ভালোবাসার কথা বলেছিলাম আগে? 

এমন প্রশ্নের উত্তর পেয়ে একদম চুপ হয়ে আছে কোন কথা বলছে না আমি বললাম দেখেন ভাইয়া আপনি হচ্ছে আমাদের কলেজের বড় ভাই এ জন্য এমন নয় যে আপনাকে ভালোবাসাতেই হবে।  এমন নয় যে আপনাকে ভালোবাসে না এখনো যে পড়া যাবে না।  শেফুল বলছে কলেজে পড়ার ব্যাপারে আমি কাউকে কিছুই বলি না তোমার ইচ্ছে হলে পড়বে তোমার ইচ্ছে না হলে তুমি না পড়বে সেটা তোমার ব্যক্তিগত ব্যাপার কিন্তু আমি তোমাকে ভালবাসতাম এটুকু শুধুমাত্র তোমাকে জানিয়েছি।  আমি বললাম ও আচ্ছা তাহলে আপনার কথা শেষ হয়েছে তাহলে আমি এখন যাই। সোনা তুমি এখন যেতে পারো।

এরপরে আমি লক্ষ করলাম বেশ কয়েকদিন যাবৎ কলেজের বড় ভাই শফিউলকে কলেজের কোথাও দেখা যাচ্ছে না হয়তো তিনি বাসায় চলে গেছেন তিনি বেশ কয়েকদিন যাবৎ কলেজে আসছেন না আমি বান্ধবী তানিয়াকে জিজ্ঞেস করলাম কিরে তোদের বড় ভাইকে দেখছি না ইদানিং কাহিনী কি অন্য কোথাও পাড়ি দিলো নাকি তানিয়া বললো তেমন কিছু না আমিও তো খেয়াল করলাম ইদানিং ভাইয়াকে দেখছি না কলেজে আমি বললাম ও আচ্ছা তাহলে মনে হয় আর কলেজে আসবে না। 

আমি আমাকে বলছে আমি লক্ষ করলাম শরিফুল ভাইয়া তোর পিছনে ঘোরাঘুরি করে তোর সাথে কথা বলে তুমি সেগুলো কে কি হিসেবে নিঃশেষ আমি বললাম এটা মেনে আর কী আছে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার কলেজের বড় ভাই যে কারো সাথে একটু কথা বলতে পারে এটা অস্বাভাবিক এর কি আছে।  তানিয়া বললো হ্যাঁ তবে তাদের বিষয়টা আমি একটু অন্যভাবে দেখছি আমি বললাম ও আচ্ছা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.