প্রফেশনাল ইউটিউবিং কিভাবে?

প্রফেশনাল ইউটিউবিং কি? ইতিমধ্যে আমরা সবাই অবগত যে ইউটিউব হচ্ছে একটি অনলাইন পপুলার ভিডিও প্ল্যাটফর্ম। যেখানে যে কোন ইউজার যেকোনো সময় ভিডিও প্রকাশ করতে পারবে এবং তার ভিডিওগুলো লক্ষ লক্ষ মানুষের সামনে ইউটিউব দেখিয়ে থাকে এতে করে ইউটিউব এবং ইউজারের দুজনার ইনকাম হয়ে থাকে।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব কিভাবে প্রফেশনাল ইউটিউব ইন করবেন এবং কিভাবে একটি চ্যানেল তৈরি করা থেকে একদম টাকা উইথড্র করবেন সব বিষয়ে আর্টিকেল এর মধ্যে উল্লেখিত থাকবে। সমস্ত বিষয়বস্তু নিয়ে আমি আছি আপনাদের সাথে সাইফুল ইসলাম।

ইউটিউব হচ্ছে একটি ভিডিও প্ল্যাটফর্ম এখানে প্রফেশনাল ইউটিউবিং করে নিজের ক্যারিয়ার গঠন করা সম্ভব। নিজের ক্যারিয়ার এখান থেকেই তৈরি করা অসম্ভব কিছুই না হাজার হাজার প্রফেশনাল ইউটিউবার আছেন যারা নিজের ভবিষ্যৎকে ইউটিউব এর মধ্যে সীমাবদ্ধ করে রেখেছেন এবং তারা এখান থেকে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার স্বপ্ন দেখছেন।

এই আর্টিকেলের যে সকল বিষয় আলোচিত হয়েছে-

  • কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খুলবো?
  • কিভাবে ভিডিও তৈরি করলে ভালো হবে?
  • কখন ভিডিও আপলোড করলে ভালো হয়?
  • ইউটিউবের মনিটাইজেশন রিকোয়ারমেন্ট কি?
  • ইউটিউব এর টাকা কিভাবে তুলতে হয়?

আসুন আমরা জেনে নেই একটা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা থেকে কিভাবে সেই ইউটিউব চ্যানেলের থেকে উপার্জনকৃত টাকাগুলো উইথড্র করবেন সমস্ত বিষয়বস্তু এই আর্টিকেল আলোচনা করা হয়েছে চলুন তাহলে মূলপর্বে চলে যাই।

কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খুলবো?

কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খুলবো এই প্রশ্নের উত্তরে সর্বপ্রথম হয়তো আপনি একটু ঘাবড়ে যাচ্ছেন কিন্তু আপনি যদি ট্যাগ ক্লাবের হয়ে থাকেন অথবা আপনি যদি অনলাইন সম্পর্কে মোটামুটি বেসিক নলেজ রাখেন তাহলে এটা আপনার জন্য খুব সহজ এবং অনেক বেশি উচিত। প্রফেশনাল ইউটিউবিং করার জন্য অবশ্যই আপনাকে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে।

ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করার জন্য আপনার ডিভাইসে “মোবাইল, ল্যাপটপ, কম্পিউটার অথবা আইওএস” যেকোনো একটি ডিভাইস থাকতে হবে এবং সেই ডিভাইসে একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট (Google Account) থাকতে হবে। অতঃপর ইউটিউব এর যে অফিশিয়াল অ্যাপ রয়েছে সেখানে গিয়ে একটি চ্যানেল তৈরি করতে হবে।

প্রফেশনাল ইউটিউবিং এর জন্য সর্বপ্রথম আপনার ইউটিউব সফটওয়্যার এর মধ্যে যেতে হবে এর পরে ডান দিকে উপরের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে একটি আইকন রয়েছে সেখানে ক্লিক করলে দেখা যাবে “Create Channel” অতঃপর এখানে ক্লিক করার পরে আপনাকে আপনার চ্যানেলের একটি নির্দিষ্ট নাম সিলেক্ট করতে বলবে। আপনার চ্যানেলের যে নাম দিবেন সেই নাম কি দীর্ঘ সময় ধরে রিচার্জ করে সিলেক্ট করুন কেননা আপনি কি বিষয়ের উপর কাজ করবেন সেই সমস্ত বিষয় গুলো ডিপেন্ড করে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের নামের উপরে।

সব বিষয়গুলো বিবেচনা করে ইউটিউব চ্যানেলের নাম ঠিক করুন। অতঃপর প্রফেশনাল ইউটিউবিং এর জন্য আপনার নাম সিলেক্ট হয়ে গেলে ইউটিউব চ্যানেলটি তৈরি করে ফেলুন। তাহলে হয়ে গেল আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা কমপ্লিট।

(এরপরেও যদি কোন ভাবে আপনার বুঝতে সমস্যা হয় সে ক্ষেত্রে আপনি ইউটিউব কি গুগলের সহায়তা নিয়ে আপনি কাজটি সম্পূর্ণ করতে পারেন।)

কিভাবে ভিডিও তৈরি করলে ভালো হয়?

প্রফেশনাল ইউটিউবিং করার জন্য আপনার একটা প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা হয়ে গেছে এখন অবশ্যই আপনাকে এখানে কনটেন্ট দিতে হবে। কনটেন্ট না দিলে এখান থেকে উপার্জন করার কোনো মাধ্যম থাকবে না। কনটেন্ট তৈরি করার জন্য যেসকল আসবাপত্র প্রয়োজন সেগুলো আপনার থাকতে হবে।

যেমন- ক্যামেরা, ল্যাপটপ/কম্পিউটার, লাইটিং সিস্টেম, মাইক্রোফোন, সেটাপ রুম সহ আরো বিভিন্ন বিষয়বস্তু। তবে এগুলো যদি আপনার কোনটাই না থাকে তাহলে কিন্তু প্রফেশনাল ইউটিউবিং শুরু করাটা একটু কষ্টকর হয়ে যেতে পারে। মনে রাখবেন, ইউটিউবে এসে কেউ সাথে সাথে উপার্জন করতে পারে না এখানে দীর্ঘ সময় থাকে পরিশ্রম করতে হয় এর ফলে তিনি উপার্জন করতে সক্ষম হয়।

ভিডিও তৈরি করার জন্য আপনাকে দীর্ঘ সময় রিচার্জ করতে হবে যে ইউটিউবে কোন ভিডিওতে খুব কম আছে অথবা কোন ভিডিওটি নেই যে মানুষ সার্চ করে সেই ভিডিওটি আপনাকে তৈরি করতে হবে। আপনি যে বিষয়ের উপর এক্সপার্ট সেই ধরনের ভিডিও গুলো তৈরি করুন এতে করে ভিডিওগুলো কোয়ালিটিফুল এবং হেল্পফুল হবে।

ইউটিউবে লক্ষ-লক্ষ ভিডিও রয়েছে প্রত্যেকটা টপিকের উপরে কিন্তু আপনি যদি সেই টপিকের উপরে আরো ভিডিও তৈরি করেন তাহলে সেই ভিডিও গুলো পড়ার জন্য মানুষ খুব কম সংখ্যক রয়েছে তাই চেষ্টা করুন ইউটিউবে যেগুলো নেই সেগুলো তৈরি করার জন্য।

অথবা ইউটিউবে অসংখ্য ভিডিও আছে কিন্তু সেগুলো হেল্প ফুল নয় অথবা তার চেয়ে আরো কোয়ালিটিফুল এবং তার চেয়ে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও আপনি তৈরি করতে পারেন তাহলে সেটি তৈরি করুন।

ইউটিউব এর অ্যালগরিদম অনুযায়ী আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার চ্যানেলের ব্যাংকিং সিস্টেম সবকিছু ম্যাটার করে আপনার ভিডিওগুলো একদম প্রথমে দেখানো হয়ে থাকে। তাই প্রত্যেকটি ভিডিও পাবলিশ করার পূর্বে অবশ্যই এসইও SEO ৮০-৯৫% কমপ্লিট করে রাখুন।

কখন ভিডিও আপলোড করলে ভালো হয়?

কখন ভিডিও আপলোড করলে ভালো হয় জানেন কি? ভিডিও আপলোড করার জন্য নির্দিষ্ট একটি সময়ে বেছে নেয়া উচিত। প্রত্যেকদিন যখন আপনি ভিডিও আপলোড করবেন তখন এই নির্দিষ্ট সময় ভিডিও আপলোড করুন এতে করে আপনার যে অথবা আপনার যে অনুসারীগণ রয়েছেন তারা আপনার ভিডিওর জন্য নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করবেন। (এতে করে আপনার ভিডিওতে বেশি ভিউ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে)

চেষ্টা করবেন মিনিমাম প্রত্যেকদিন একটা করে কোয়ালিটিফুল এবং হেল্পফুল ভিডিও আপলোড করার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে। যদি প্রত্যেকদিন সম্ভব না হয় তাহলে মিনিমাম ২ দিন পরে একটা ভিডিও আপলোড করার চেষ্টা করুন। যদি সেটাও সম্ভব না হয় তাহলে ৭ দিন (সপ্তাহে) একটি করে ভিডিও আপলোড করার চেষ্টা করুন এবং এটি রেগুলার করুন।

এখানে যদি আপনি প্রথম কয়েক সপ্তাহ কাজ করে পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ কাজ না করেন তাহলে আপনার চ্যানেল টি আর রেংকিং করানো সম্ভব হবে না নিয়মিত কাজ করতে হবে নিয়মিত এখানে সময় ইনভেস্ট করতে হবে। এতে করে আপনি খুব দ্রুত এখান থেকে প্রফেশনাল ইউটিউবিং এর সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

তবে আপনার ভিডিওর উপর ডিপেন্ড করে আপনি কখন ভিডিওগুলো আপলোড করবেন কেননা আপনার ভিডিওগুলোর টপিক কি সেটার উপর বেশিরভাগ সময় ডিফেন্ড করে থাকে।

  • (টেক ভিডিও – টেক ভিডিও প্রতিনিয়তঃ আপলোড করা সম্ভব নয় এটি তৈরি করতে এবং এডিটিং সব কিছু মিলিয়ে একটা লম্বা সময়ের প্রয়োজন হয়ে পড়ে তাই এটি আপলোড করার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেছে নিতে পারেন।)
  • (নিউজ ভিডিও – একটা ইউটিউব চ্যানেলে প্রত্যেকদিন যদি কয়েক শত ভিডিও আপলোড করা হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে কোন রুলস থাকে না তাই নিউজ রিলেটেড কোন ভিডিও হলে সেগুলো প্রত্যেকদিন যথা টাইমে আপলোড করতে পারেন এতে করে তাহলে সমস্যা হবে না)
  • (ব্লগিং ভিডিও – আমরা জানি যারা ব্লক করে তারা প্রত্যেক সপ্তাহে একটা করে ভিডিও দেয়ার চেষ্টা করে কেননা একটা ভিডিও তৈরি করতে তাদের লম্বা একটা সময় প্রয়োজন পড়ে এবং এডিটিং নিয়ে আরো লম্বা একটা সময় চলে যায় যার জন্য প্রত্যেকদিন ভিডিও দেওয়া সম্ভব হয় না তাই তারা নির্দিষ্ট সময়ে ভিডিও আপলোড করে থাকেন)
  • (হেলথ ভিডিও – স্বাস্থ্য চিকিৎসার জন্য যেসকল ভিডিও গুলো তৈরি হয়ে থাকে সেগুলো তৈরি করা এবং এডিটিং করার জন্য পর্যাপ্ত সময় প্রয়োজন পড়ে। এ ধরনের ভিডিও গুলো আপলোড করতে একটু সময় লাগে তাই এগুলো প্রত্যেকদিন দেওয়া সম্ভব নয় এবং এগুলোর জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা থাকে।)

►► আরো দেখো: জীবনের সাফল্য কোথায় থাকে?

ইউটিউব মনিটাইজেশন রিকোয়ারমেন্ট কি?

ইউটিউব তাদের যে টার্মস এন্ড কন্ডিশন রয়েছে সেগুলো প্রতিনিয়ত আপডেট করে তাই তাদের আপডেট এর উপর ডিপেন্ড করে সবকিছু। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাদের যে মনিটাইজেশন রিকোয়ারমেন্ট রয়েছে তা হচ্ছে – আপনার ইউটিউব চ্যানেলে সর্বমোট ১০০০ অনুসারী (1,000 Subscribe এবং সর্বশেষ ৩৬৫ দিনে ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম (4,000 Wachtime) নিতে হবে।

ইউটিউবের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী এগুলো সম্পূর্ণ কমপ্লিট হলে ক্রিয়েটর স্টুডিও থেকে মনিটাইজেশন যে অপশন রয়েছে সেখান থেকে দেখতে পারবেন এবং সম্পূর্ণ হলে আপনি মনিটাইজেশন এর জন্য এপ্লাই করতে পারবেন।

মনিটাইজেশন এর জন্য এপ্লাই করার পরে তারা আপনার চ্যানেল টি রিভিউ করবে এবং আপনার চ্যানেলের কনটেন্ট সবকিছু ঠিক আছে কিনা সে সমস্ত বিষয় গুলো তারা রিভিউ করে আপনাকে মেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দিবে যে আপনার চ্যানেলে মনিটাইজেশন হয়েছে কি হয়নি।

ইউটিউব এর টাকা কিভাবে তুলতে হয়?

উপরে আলোচনা করা হয়েছে কিভাবে মনিটাইজেশন করা হয় সে সমস্ত বিষয় গুলো নিয়ে। সেখানে উল্লেখিত নয় যে এখানে মনিটাইজেশনের জন্য যখন এপ্লাই করবেন তখন আপনাকে গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।

গুগল এডসেন্স একাউন্ট তৈরী করার পরে আপনার চ্যানেলে যখন মনিটাইজেশন হবে তখন আপনার চ্যানেল থেকে যত ইনকাম হবে সেই ইনকাম গুলো গুগল এডসেন্স এর মধ্যে চলে যাবে এবং সেখান থেকে আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকাটা ট্রান্সফার হয়ে যাবে।

যখন আপনার গুগল এডসেন্স একাউন্ট এর মধ্যে ১০ ডলার কমপ্লিট হবে তখন এটি অ্যাড্রেস ভেরিফিকেশন করার জন্য ইউএস থেকে আপনার যে পোস্ট অফিস ঠিকানা দেওয়া আছে সেখানে একটি লেটার পাঠানো হবে যার মধ্যে ৬ (ছয়) ডিজিটের একটি কোড থাকবে। এই কোড দিয়ে আপনাকে আপনার এডসেন্স একাউন্টের অ্যাড্রেস ভেরিফিকেশন করে নিতে হবে।

অতঃপর ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হলে আপনার এডসেন্স একাউন্টের সাথে আপনি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কানেক্ট করতে পারবেন। ব্যাংক একাউন্ট কানেক্ট করার পরে আপনার এডসেন্স ১০০ ডলার সম্পূর্ণ হবে তখন তারা প্রত্যেক ২১-২৮ তারিখের মধ্যে আপনার ব্যাংক একাউন্টে সম্পূর্ণ টাকা টান্সফার করে দিবেন, এবং ব্যাংক একাউন্ট থেকে আপনাকে টাকাটা তুলে নিতে হবে।

এখানে অনেকেরই একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে ব্যাংক একাউন্ট এবং এডসেন্স একাউন্ট সেইম ইনফর্মেশন থাকতে হবে কিনা? সঠিক উত্তর হচ্ছে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং এডসেন্স একাউন্ট অথবা ইউটিউব একাউন্ট যেটা রয়েছে সেটা একই ইনফরমেশনের থাকতে হবে না। আপনি আপনার এডসেন্স একাউন্টের সাথে যে কারো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কানেক্ট করতে পারবেন এবং এখানে ইনফর্মেশন একই থাকতে হবে এমন কোনো বাধ্যকতা কিংবা রিকোয়ারমেন্ট নেই।

►► আরো দেখো: বাচ্চাদের জন্য ইউটিউব এর ভিডিও দেখা
►► আরো দেখো: ভয়েস টাইপিং করে মনের ভাব লেখা

সর্বশেষ:

ইউটিউব থেকে সঠিক উপায় উপার্জন করার জন্য যে মাধ্যমগুলো বলা হয়েছে-সেগুলো অবলম্বন করে আপনি নিজের ক্যারিয়ারকে নিজের লাইফকে এখানে আবদ্ধ রাখতে পারেন এতে করে আপনার চাকরি কিংবা অন্যান্য বিষয়বস্তুর পিছনে সময় নষ্ট করতে হবে না।

শুধুমাত্র টেকনিক খাটিয়ে নিজের আত্মাকে নিজের শক্তিকে এখানে খাটিয়ে মানুষের বিশ্বস্থতা অর্জন করে আপনি এখান থেকেও অনেক টাকা উপার্জন করার সিস্টেম পেতে পারেন।

শুধু এডসেন্স থেকে ইনকাম নয় বিভিন্ন স্পন্সার সহ আরও বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে আপনি এখান থেকে উপার্জন করতে পারেন। একটা সময় আপনার চ্যানেল যত বড় হবে দেখবেন ততই স্পন্সার পেতে থাকবেন এবং আপনার ভিডিও করার আগ্রহ ততবেশি বাড়তে থাকবে এভাবেই মূলত আপনার প্রফেশনাল ইউটিউবিং যাত্রা শুরু হবে।

ইউটিউব সক্রান্ত আর কোন প্রশ্ন আপনার থেকে থাকলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না। সেই সাথে ইউটিউব লেটেস্ট কোন তথ্য কিংবা কোন কিছু ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এবং কমেন্ট করে আমাদের দৃষ্টি জানিয়ে দিবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.