ভালো মানুষের চরিত্রের আড়ালে

ভালো মানুষের চরিত্রের আড়ালে অধিকাংশ সময়ে খারাপ লোক দেখা যায় এবং এটা অস্বাভাবিক না এটা খুব কমন একটা জিনিস বর্তমান সমাজে মানুষ এই বিষয়টাকে অনেক বেশি ফলো করে থাকে যে ভালো মানুষের মুখোশ পরে খারাপ কাজগুলো তারাই দৈনন্দিন জীবনে চালিয়ে যাচ্ছে। উপর থেকে সবাই তাকে খুব বেশি সম্মান করে তিনি সবার সমান উপভোগ করে কিন্তু নিজের মনের মধ্যে মানুষকে কিভাবে ক্ষতি করা যায় মানুষকে কিভাবে খারাপ পথে হাঁটানো যায় সেই ধারা চিন্তা সব সময় কাজ করে।

সবার চিন্তাধারা যদি এমন হতো যে আমার মত সবাই ভালো হোক এমন কি সবাই আমার থেকেও বেশি ভালো থাকুক, সবাই খেয়ে-পড়ে ফ্যামিলি নিয়ে ভালো একটা অবস্থানে পৌঁছে যাক এমন যদি সবার ইচ্ছে হতো সবার মানুষিকতা থাকতো তাহলে হয়তো আমাদের সমাজে অসৎ মানুষগুলো থাই বেদনা খারাপ কাজের সাথে জড়িত এমন মানুষগুলো হয়তো আমাদের সমাজে জায়গা পেত না। কিন্তু সত্যিকার অর্থে আমাদের সমাজে যারা সত্যি কথা বলে যারা সৎপথে চলে যারা অসৎ পথে চলে না তারা মূলত ঠাঁই পায় না তারা কারো সাথে মিশতে পারে না তারা একাকিত্ব ভোগ করে সব সময়।

চরিত্রের আড়ালে, আমাদের সমাজটা এখন কোনো নিরীহ স্বাধীন সমাজ নয় এটি সম্পূর্ণ স্বাধীন একটি প্রাইভেট সমাজ বলা যেতে পারে কেননা এখানে টাকা পয়সা বেশি আছে যার শক্তির প্রভাব রয়েছে তিনি রাজত্ব করবে। এখানে কোনো গরিব মানুষের ঠাঁই নেই যিনি গরীব থাকে না খেয়ে মরতে হবে এখানে গরিব মানুষদের স্বপ্ন দেখা বারণ করি মানুষের স্বপ্ন দেখলে তাকে মরতে হবে এই হচ্ছে আমাদের সমাজ। আমাদের সমাজের মানুষের চাওয়া এবং আকাঙ্ক্ষা এত বেশি যে সরকার কিংবা আরো কয়েকটা দেশ বিক্রি করে সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা সম্ভব বলে আমার মনে হয়।

চরিত্রের আড়ালে, আমাদের সমাজে এমন কোটিপতি রয়েছেন যাদের কোটি কোটি টাকা রয়েছে এমনকি টাকার হিসাব রাখা সম্ভব হচ্ছে না তার পরেও তিনি আরও চাচ্ছেন আরো চাচ্ছেন তার চাওয়ার জন্য কোন শেষ হচ্ছে না। একইভাবে আমাদের সমাজে এখনো বর্তমান সময়ে এসে মধ্য মায়ের দেশে এসেও অসংখ্য মানুষ না খেয়ে ধুকে ধুকে মরছে কিন্তু সেগুলো কেউ দেখছে না সেগুলো দেখার মত কেউ নেই। যদিও না খেয়ে মরে যাওয়া কয়েকজন মানুষকে অর্থ সহযোগিতা কিংবা পোশাক সহযোগিতা দিয়ে সেটা সমস্ত পৃথিবীকে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় এই হলো মানুষের সহযোগিতা।

আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি আপনার সহযোগিতা এমন হওয়া উচিত যে আপনি ডান হাত দিয়ে অন্যকে সহযোগিতা করলে আপনার বাম হাত যেন না জানে কিন্তু সেখানে আমরা এমন ভাবে মানুষকে সহযোগিতা প্রদান করি সেটা সমগ্র বিশ্বকে জানিয়ে দেই এমনকি আমার দেখা কিছু কিছু মানুষ রয়েছেন যারা এ ধরনের পোস্ট ফেসবুক কিংবা বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দিয়ে সেগুলো প্রমোট করে থাকেন সেগুলো ফেসবুক কিংবা তাদের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মকে টাকা দিয়ে এড়িয়ে গুলো পোস্ট করে মানুষের সামনে প্রধান করে থাকেন তাহলে এটা কি ধরনের সহযোগিতা আমি বুঝতে পারছি না।

মানুষের চরিত্রের আড়ালে নির্বাচনের খেলা!

চরিত্রের আড়ালে

চরিত্রের আড়ালে, আমাদের দেশে নির্বাচন হচ্ছে নিজের মত বিবেক এবং নিজের ইচ্ছায় আমার যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট প্রদান করব কিন্তু সত্যিকার অর্থে এমন কোনো সুযোগ আমাদের দেশে এখনো হয়ে ওঠেনি আর ভবিষ্যতে হয়ে উঠবে না এমনটাই আশা করা যাচ্ছে। আমাদের দেশে কোন গণতন্ত্র নেই এটা স্বাধীন দেশ বোঝাই যাচ্ছে না এটা যেন নিজেদের কবলে সব সময় পরিচালিত হচ্ছে তারা যাই বলবে তাই যেন সবাইকে মেনে চলতে হবে এমনটাই এখন চলমান বর্তমানে আমাদের দেশ এটা কোন দেশ না এটা আমাদের বাংলাদেশ।

নির্বাচনের পূর্বে আপনার দরজার নাগালে প্রত্যেকদিন কয়েকবার তারা কড়া নাড়বে প্রয়োজনে আপনার পা ধরে সালাম নিবে কিন্তু নির্বাচনের পরের দিনে আপনি তার দরজায় তাই পাবেন না আপনি তার দরজায় গিয়ে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবেন না আপনার সাথে দেখা করার জন্য তার সময় থাকবে না। এখন আপনি তাকে ভোট দিয়ে জয় করে দিয়েছেন কিন্তু আপনার এই ভোটে তিনি জয়ী হয়েছেন সেটা তার তখন মনে থাকবে না এই হচ্ছে আমাদের সমাজের নির্বাচনী আকাঙ্ক্ষা। নির্বাচনের পূর্বে তারমধ্যে মনে হয় যেন ফেরেশতা বিরাজমান করেছে তার চরিত্র এতো সুন্দর এতো ভালো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করে জামাতে প্রথম কাতারে আদায় করে কিন্তু একই ভাবে নির্বাচনের পরে তাকে মসজিদে খুঁজে পাওয়া যায় না। তাকে এভাবে কে সহযোগিতা করতে দেখা যায় না।

চরিত্রের আড়ালে, আমাদের সমাজ যেন এখন একটা বর্বরতার শিকার আমাদের সমাজে যেন এখন একটা অমানুষের শিকার হয়ে গেছে। বিশেষ করে এই গণতন্ত্র দেশকে নির্বাচনী আকাঙ্ক্ষায় মানুষ যেন পাগল করে ফেলছি গরিবদের জন্য ধিকে ধিকে মারছে নিজের ইচ্ছাতে কাউকে ভোট প্রদান করতে পারছে না মানুষ সরকার বিভিন্ন মাধ্যম করে নিজেদের আওতায় ভোটগুলো কেড়ে নিচ্ছে দেশে যে দলগুলো রয়েছে সবার অধিকার সমান কিন্তু সেখানে শুধুমাত্র সরকারের দলটাই উচ্চপর্যায়ে থাকবে বাকিগুলোর অস্তিত্ব কথাও রাখবেনা।

ভালো মানুষের আড়ালে খারাপ চরিত্র!

চরিত্রের আড়ালে

আপনার হয়তো প্রশ্ন হতে পারে এটা তো সবাই আমরা জানি তাহলে এটা নিয়ে লেখার কি আছে আর এখানে অবাস্তব কিছুই নেই এটা আমরা সবাই জানি এবং আমরা এটা সবার সাথে অভ্যস্ত এমনকি তাতে আমরা এখন পুরোপুরি ভাবে অভ্যস্ত হয়ে গেছি যে ভালো মানুষের আড়ালেই খারাপ মানুষগুলোর জায়গা হয়ে থাকে। মানুষ রয়েছে মানুষের তাহলে কিন্তু কেউ বুঝতে পারে না তার মনের মধ্যে তার আড়ালে কি বসবাস করে।

বিশেষ করে গরিব মানুষগুলো খারাপ মানুষগুলোর ফাঁদে পড়ে থাকেন তারা বিভিন্নভাবে গরিব মানুষকে লোভনীয় করে থাকেন বিভিন্ন বিজ্ঞাপন বিভিন্ন জিনিস দেওয়ার লোভ থাকে অতিষ্ঠ করে ফেলে তাকে একদম শেষ করে সাড়ে। একটা গরীব মানুষকে এত এত ভাবে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয় তার পরেও যেন তার মন-মানসিকতা অস্থিরতা ভরসাটা কমেনা। ধনী ব্যক্তিরা গরিব মানুষদের এত ভাবে ব্যবহার করে তাতেও যেন তার সাধ মিটে না। কেউ কেউ ধর্ষণ নির্যাতন এগুলো যেন তার দৈনন্দিন জীবনের পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে গরীবদের ওপর তাদের অত্যাচার যেন থামবার নয় এগুলো দৈনন্দিন জীবনে তারা প্রতিনিয়ত চালাতে থাকে।

চরিত্রের আড়ালে, আমি জানি আমার এই মতামতগুলো অনেকেরই পছন্দ হবে তবে খুব কম সংখ্যক মানুষের অপছন্দ হবে তারা আমার কথাগুলো পছন্দ করে থাকবেন না কেননা আমি সত্যি কথা বলেছি হয়তো তারা আমাকে খোঁজার চেষ্টা করবেন আমার সাথে কন্টাক্ট করার চেষ্টা করবেন কিন্তু সত্যিকার অর্থে কন্টাক্ট করে কোন লাভ নেই সব সময় চলমান এটা আমি এখন না বললেও অন্য সময় অনেক জন বলবে এটা স্বাভাবিক সত্যকে ঢেকে রাখার ক্ষমতা কারো হয় না এটা আজ কিংবা কাল মানুষের সামনে প্রকাশ পাবেই।

সত্য যদি প্রকাশ না পেত তাহলে হয়তো পৃথিবীতে হাজার হাজার মানুষ মিথ্যা বলে নিজেকে বাঁচিয়ে নিত মানুষকে নিমিষেই শেষ করে ফেলত কিন্তু সত্য সেটা কখনো গোপন থাকে না এটা প্রকাশ পাবেই তবে একটু সময় লাগতে পারে কিন্তু সময় লাগলেও সত্যতা যে সামনে আসবে এটা অবাস্তব কিছু নয় তাই সত্যের আড়ালে কেউ কিছুই করতে পারে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.