গরমের দিনে শরীরের যত্ন কিভাবে নিবেন?

গরমের দিনে শরীরের যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা শীতের দিনে আমরা যেভাবে শরীরের কেয়ার {যত্ন} করি  অনুরূপভাবে গরমের দিনেও আমাদের শরীরের যত্ন করা উচিত কিন্তু আমরা সেটা অনেক সময় করে থাকি না যার ফলে আমাদের শরীরের হেলথ দুর্বল এবং নষ্ট হয়ে যায়। আমাদের উচিত প্রতিনিয়ত শরীরের যত্ন নেওয়া। আমাদের উচিত শরীরকে প্রটেকশন করার জন্য প্রতিনিয়ত ব্যায়াম করা কিন্তু আমরা অধিকাংশ সময় এটা করে থাকি না।

শরীরকে সার্বক্ষণিক সুস্থ এবং সবল রাখার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করার বিকল্প নেই। নিয়মিত শরীরকে সতেজ রাখার জন্য অবশ্যই অবশ্যই প্রত্যেকদিন শরীরের যত্ন নেওয়া বাধ্যতামূলক। একটা ৮০ বছরের মুরব্বি ও পারেন নিজের শরীরকে ফিট রাখতে।  আপনি কি অবাক হয়ে যাচ্ছেন? এখানে অবাক হওয়ার কিছু নেই এমনটাই সত্যি কেননা নিজের শরীরের যত্ন আপনি যত ভালো ভাবে নিবেন তত সুন্দর আপনার হায়াত বৃদ্ধি পেতে পারে এমনকি আপনার শরীর দীর্ঘদিন ধরে রাখার সক্ষমতা তৈরি করতে পারে। 

গরমের দিনে শরীরের যত্ন কিভাবে নিব? 

অনেকের মধ্যেই এমন প্রশ্ন বিরাজমান যে গরমের দিনে শরীরের যত্ন নিও ঠিক আছে কিন্তু কিভাবে নিব?  আসলে আপনার নিজের শরীরের যত্ন অন্য কেউ নিয়ে নিতে কখনোই পারবে না এটা কেবলমাত্র নিজেকে প্রটেকশন নিজেকে কেবলমাত্র হ্যান্ডেলিং কভার করতে হবে। নিজের শরীরকে সতেজ এবং সবল রাখতে দীর্ঘ সময় নিজের শক্তি ধরে রাখতে সব সময় চেষ্টা করুন কিভাবে নিজের শক্তি কে আরো বৃদ্ধি করা যায় নিজের ব্যায়াম করা থেকে শুরু করে খাওয়া দাওয়া পর্যন্ত সবকিছু কে কিভাবে কন্ট্রোল করা যায় এগুলো চেষ্টা করা উচিত। 

একটা মানুষ নিমিষেই কিন্তু ভেঙে যায় কিন্তু কেন ভেঙ্গে যায় জানেন?  ভেঙে যাওয়ার কয়েকটি কারণ এর মধ্যে প্রধান কারণ হচ্ছে তার মন-মানসিকতা। প্রত্যেকটা মানুষের মন মানসিকতা থাকা উচিত অনেক বড় অনেক অনেক বড় কেননা,  মন মানসিকতা যদি নিমেষেই ভেঙে পড়ে তখন দেখবেন ওই মানুষটি হতাশা ভোগ করে ওই মানুষটি অল্প সময়ের মধ্যে পৃথিবীতে করতে বাধ্য হয়। 

খেয়াল করে দেখবেন যারা দুশ্চিন্তা করে না যারা সবসময় হাসিখুশি থাকে তাদের আয়ু বেশি দিন থাকে তারা বেশি দিন বেঁচে থাকে এমনটাই গবেষণায় জানা যায়। দেখবেন মধ্যবিত্ত কিংবা একদম নিম্নবিত্ত যারা রয়েছে তারা কিন্তু ওখানে অনেক মানুষ চিকিৎসার অভাবে মারা যায় মূলত তারা যদি শুরু থেকে নিজের শরীরকে যত্ন করার জন্য উঠে পড়ে লাগতে পারে নিজের শরীরকে প্রটেকশন করার জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতি নি তো তাহলে হয়তো তাকে আজকে চিকিৎসা ভিডিওতে হতো না কিংবা চিকিৎসার অভাবে মারা যেতে হতো না।

গরমের দিনে শরীরের যত্ন বাধ্যতামূলক কি?

গরমের দিনে শরীরের যত্ন

আমি বলছি আপনাকে এটা কোন বাধ্যতামূলক নয় এটা কেবলমাত্র আপনার মন মানসিকতার উপর ডিপেন্ড করে। অনেকেই আছে, নিজের শরীরে অনেক বেশি সমস্যা থাকার পরেও সেগুলো কেয়ার করে না অথবা শরীরের যত্ন নেয় না কিংবা ছোট ছোট কোনো অসুখ হলে সেগুলো ফার্মেসি থেকে ওষুধ নিয়ে টেম্পোরারি সুবিধার জন্য খেয়ে ফেলে কিন্তু তিনি জানেন না যে তার এই ছোট ছোট সুখ গুলো হয়তো বড় আকারে ধারণ করতে পারে।  তিনি জানেন না তার শরীরটি দীর্ঘ সময় ধরে রাখার জন্য তার উচিত ভালো একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া ভালো একটি ব্যায়াম কিংবা মন মানসিকতার অধিকারী হওয়া।

আপনার তাই যত্ন নেওয়া উচিত আপনার।  গরমের দিনে শরীরের যত্ন বাধ্যতামূলক এমন কোন বিষয় না আপনি যদি শরীরের যত্ন নেন সেক্ষেত্রে আপনাকে কেউ গালাগালি কিংবা অস্থায়ী মারামারি করবে না।  তবে নিজের শরীরকে দীর্ঘ সময় ধরে রাখার জন্য আপনার উচিত সবসময় ব্যায়াম করা শরীর প্রচন্ড গরমের দিনে এমন নয় সবসময়ই করা উচিত।  তবে গরমের দিনে দেখবেন নিজের শরীর নিমিষেই দিনদিন ভেঙ্গে যাচ্ছে কাজের মধ্যে মন বসাতে পারা যায় না কোন কাজে নিজের শরীরের খাটনি হলে তখন নিমিষেই মেজাজ খারাপ হয়ে যায়।

কষ্টের কোন কাজে নিজেকে বহাল রাখা যায়না নিমিষেই মন-মেজাজ অস্থির হয়ে যায় এমন পরিবেশের জন্য মূলত আপনার শরীর নেই এমনকি আপনি দায়ী আপনি যদি নিয়মিত শরীরকে প্রটেক্ট করেন শরীরকে সঠিক এবং সুস্থ রাখার জন্য যাবতীয় কাজ গুলো করেন তাহলে শরীর ঠিক হয়ে যাবে।

গরমের দিনে কি কি করা উচিত? 

গরমের দিনে শরীরের যত্ন

গরমের দিনে আপনার শরীর ভালো রাখার জন্য আপনার নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত।  আপনার খাবার পানি  ভালো হওয়া উচিত।  বিশেষ করে গরমের দিনে দেখবেন খাবার পানির জন্য ডায়রিয়া আমাশয় এমনটি হয়ে থাকে এমনকি এই রোগের জন্য উচ্চপর্যায়ের ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে তাই গরমের দিনে খাবার পানির দিকে ভাল করে খেয়াল রাখবেন খাবার পানি ফুটিয়ে খাবেন।  গরমের দিনে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া যাবেনা।  গরমের দিনে বারবার গোসল করা পোশাক না পড়ে সারাক্ষণ ফ্যানের নিচে শুয়ে থাকা কোনো কাজকাম এমন না দেওয়ায় কি করা যাবে না।  অতিরিক্ত মাত্রায় জন্য শরীরের মধ্যে ঠান্ডা প্রবেশ না করতে পারে সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

অতিরিক্ত মাত্রায় ঠান্ডা খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে।  ফ্রিজে পানি ঠান্ডা খাওয়া থেকে বিরত।  দেখা যায় অতিরিক্ত গরমের সময় আমরা ফ্রিজের ঠান্ডা পানি গুলো নিমিষেই খেয়ে ফেলি কিন্তু এটা আমাদের শরীরের জন্য অনেক বেশি খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।  তাই আমাদের উচিত শরীরকে প্রটেকশন করার জন্য এই সকল নিয়মগুলো মেনে চলা এমনকি এই সকল নিয়মের বাইরে যে সকল কার্যক্রম রয়েছে অথবা আপনার শরীরের মধ্যে যে সকল সমস্যাগুলো রয়েছে সে সমস্যা গুলোর জন্য নিয়মিত কাজ করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.