ইউটিউবে সাকসেস হওয়ার টেকনিক

এই বন্ধুরা তোমরা কেমন আছো সবাই? আমি আছি তোমাদের সাথে অমুক, আশা করি সবাই ভাল আছো। তোমরা ইতিমধ্যে টাইটেল দেখেই বুঝতে পারছ আজকের আর্টিকেলটি কি নিয়ে হতে যাচ্ছে।

আজকের আর্টিকেলটি খুব বেশি ইন্টারেস্টিং হবে। আজকের আর্টিকেল এর মাধ্যমে অনেক বেশি ট্রিকস জানতে পারবে ইউটিউবে সাকসেস হওয়ার জন্য। তাহলে চলো আমরা মূল কথা গুলো আলোচনা শুরু করি।

সূচনাঃ পপুলার ভিডিও অনলাইন প্লাটফর্ম ইউটিউব! ইউটিউব এর সাথে পরিচিত নয় এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে পাওয়া যাবে না বললেই চলে। ইউটিউবে শুধুমাত্র ভিডিও আপলোড করা যায় এটি একটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম।

তবে হ্যাঁ এই প্লাটফর্ম থেকে লক্ষ কোটি মানুষ ইনকাম করে ও যাচ্ছে। এখন বিষয় হচ্ছে আমরা এখান থেকে কিভাবে ইনকাম করব অথবা এখান থেকে আমাদের ক্যারিয়ারকে কিভাবে সচল করব। অতঃপর ইউটিউবে সাকসেস হওয়ার বিকল্প নেই।

ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে এমন কিছু নেই যা লিখে সার্চ করলে পাওয়া যাবে না। আপনার মনে যা ইচ্ছা তাই সার্চ করুন এটা ৯৯% পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এখানে কয়েকশো মিলিয়ন ভিডিও রয়েছে। কয়েকশো হাজার মিলিয়ন ভিডিওর মধ্যে আপনার সার্চকৃত কাঙ্খিত ভিডিওটি অবশ্যই রয়েছে। বিশ্বাস হচ্ছে না? এখানে সার্চ করুন- “হাউ টু” এরপরে দেখেন কি ঘটে আপনার সাথে। এখানে কয়েক হাজার কোটি ভিডিও দেখাবে একই টপিকে উপরে।

বিস্তারিতঃ যাই হোক, মূল পয়েন্টেড যেটা হচ্ছে কিভাবে ইউটিউব থেকে ক্যারিয়ার গঠন করা যেতে পারে। ইউটিউব হচ্ছে একটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম এখানে আপনি ভিডিও করবেন এবং এই ভিডিওতে মনিটাইজ করতেই ইউটিউব এর সাথে পার্টনারশিপ করতে হবে এবং আপনার ভিডিওতে যে সকল বিজ্ঞাপন দেখানো হবে এবং সেই বিজ্ঞাপনের ইনকামের থেকেও ইউটিউব কে ট্যাক্স দিতে হয় এখন বর্তমানে আবার অন্য একটি কান্ট্রিতে ৩০% ট্যাক্স দিতে হয়। সর্বোপরি এখান থেকে ভালো একটা ইনকাম হলে কোন পর্যায়ের লস নেই।

ইউটিউবে সাকসেস হওয়া!

প্রথমে আপনাকে আপনার নির্দিষ্ট ইউটিউব চ্যানেলের টপিক অথবা নাম অনুযায়ী একটা জিমেইল তৈরি করতে হবে। কাঙ্খিত জিমেইল তৈরি হওয়ার পরে “ইউটিউব ডট কমে” সাইন ইন করে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে। প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল কিভাবে তৈরি করবেন তা জানতে এখানে ক্লিক করুন।

প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করার পরে কাঙ্খিত চ্যানেলটি সুন্দর মত কাস্টমাইজেশন করতে হবে। চ্যানেলের প্রোফাইল পিকচার কভার ফটো এগুলো সাজাতে হব, চ্যানেলের ডেসক্রিপশন এড করা বিভিন্ন বিষয় সমুহ অ্যাড করে চ্যানেলকে প্রফেশনাল করতে হবে।

সর্বোপরি চ্যানেল তৈরি হয়ে গেছে, কংগ্রাচুলেশনস! এখন আপনার একটা চ্যানেল তৈরি হয়ে গেছে এখন কাজ আপনার কনটেন্ট তৈরি করা। কনটেন্ট বলতে ভিডিও কে বোঝানো হয়েছে। আপনার চ্যানেলে আপলোড করার জন্য আপনাকে আপনার টপিক অনুযায়ী কনটেন্ট তৈরি করতে হবে।

ইউটিউবে সাকসেস হওয়ার বিকল্প নেই। কন্টেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে আপনাকে বিভিন্ন দিক নির্বাচিত করতে হবে যেমন আপনার যে সাবস্ক্রাইবার রয়েছেন তারা আপনার থেকে কি চাচ্ছেন তারা কি ধরনের ভিডিও চাচ্ছেন তারা কি রিলেটেড ভিডিও চাচ্ছেন সে সকল বিষয়গুলো এনালাইজ করে ভিডিও তৈরি করতে হবে।

যেহেতু আপনি পূর্বে শুরু করেননি আপনি মাত্র শুরু করেছেন আপনার আশেপাশে এত বেশি ইউটিউবার রয়েছেন যাদের মধ্যে আপনার চ্যানেল খুঁজে পাওয়া একটু টাফ হয়ে যাবে একটু বলতে অনেকটা টাফ হয়ে যাবে।

তাই তাদের চ্যানেলকে নিচে ফেলে আপনি কিভাবে ওপরে উঠবেন সেই বিষয় বিবেচনা করে মিনিমাম হলেও প্রত্যেকদিন একটি করে কোয়ালিটিফুল এবং ইউনিক টপিক নিয়ে ভিডিও তৈরি করুন। চেষ্টা করবেন এমন ভিডিও তৈরি করার যা পূর্বে ইউটিউবে আপলোড হয়নি অথবা এই টপিক নিয়ে পূর্বে কেউ ভিডিও তৈরি করেনি। ইউটিউবে সাকসেস হওয়ার বিকল্প নেই।

অতঃপর কয়েকশো ভিডিও আপলোড হয়ে গেছে ভিডিওগুলো অনেক কোয়ালিটি ফুল। ভিডিওগুলো তৈরীর জন্য ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে ভালো মানের সাউন্ড রেকর্ড করার জন্য কোয়ালিটিফুল মাইক্রোফোন ব্যবহার করা হয়েছে হাই কোয়ালিটির স্টুডিও ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু আমি পর্যাপ্ত ভিউ পাচ্ছি না।

ভিডিও অনুযায়ী আমি কাঙ্ক্ষিত ভিউ পাচ্ছিন। প্রতিনিয়ত ভিডিওর কোয়ালিটি অনুযায়ী আমার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বৃদ্ধি পাচ্ছে না এটা আমাদের একটা কমন সমস্যা এটা নিয়ে আমরা অধিকাংশ মানুষই ভোগান্তির মধ্যে রয়েছি।

এখন বিষয় হচ্ছে সফল হতে হলে আপনাকে লেগে থাকতেই হবে মাস্ট বি, প্রতিনিয়তঃ আপনাকে ভিডিও তৈরি করে যেতে হবে এবং আপনার সাবস্ক্রাইবার যারা রয়েছেন তারা আপনার থেকে কি চাচ্ছেন সেগুলো এনালাইজ করে তাদের চাওয়া অনুযায়ী ভিডিও তৈরি করতে হবে এবং ভিডিও প্রতিনিয়ত আপলোড করতে হবে।

ভিডিওর মান বৃদ্ধি করতে হবে। সর্বশেষ আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ১,০০০ সাবস্ক্রাইবার এবং ৪,০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম কমপ্লিট হলে মনিটাইজেশন এর জন্য এপ্লাই করুন।

কংগ্রাচুলেশনস! আপনার ইউটিউব চ্যানেলে হয়তো এতক্ষণে মনিটাইজেশন পেয়ে গেছেন এখন আপনার ইনকামের সোর্স শুরু হয়ে গেছে। এখন ধরা যেতে পারে আপনি ইউটিউবে সাকসেস।

ইউটিউবে সাকসেসইউটিউবে সাকসেসইতিমধ্যে আপনার চ্যানেলে অনেক সাবস্ক্রাইবার হয়ে গিয়েছে মিনিমাম ৫০,০০০ সাবস্ক্রাইব আপনি নিয়ে আসতে পারছেন এখন আপনাকে মানুষ লোকাল স্পন্সার নিয়ে কাজ করতে বলবে বিভিন্ন কোম্পানি থেকে আপনাকে স্পন্সার দিবে সেগুলো নিয়ে ভিডিও করুন আস্তে আস্তে আপনার চ্যানেল ভালো একটা পজিশনে চলে আসবে। ইউটিউবে সাকসেস হওয়ার বিকল্প নেই।

মনে রাখবেন, ইউটিউবে সাকসেস আপনার স্পন্সর গুলো অবশ্যই আপনার চ্যানেলের টপিক অনুযায়ী হতে হবে এই টপিকের বাইরের স্পন্সর গুলো আপনার যে সকল সাবস্ক্রাইবার রয়েছেন তারা কখনোই দেখবেন না তাই তাদের দিক বিবেচনা করে আপনাকে চ্যানেলের টপিক অনুযায়ী ভিডিও তৈরি করতে হবে।

ইউটিউবে সাকসেস হওয়ার বিকল্প নেই। সর্বোপরি চ্যানেল কে প্রটেক্ট করার জন্য যত সিকিউরিটি রয়েছে সব গুলো ব্যবহার করতে হবে। এতদিনের কষ্ট যদি কোনভাবে হারিয়ে যায় তাহলে এর থেকে খারাপ লাগা আর কিছু হতে পারে না।

তাই চেষ্টা করবেন আপনার চ্যানেলকে যত ভালোভাবে প্রটেক্ট করা যায় সেটা করার জন্য। ইউটিউবে সাকসেস যদি হতে চান তাহলে এগুলো অবশ্যই ফলো করুন এগুলো আপনার জীবনকে বদলে দিবে ইনশাআল্লাহ।

অনুগ্রহ করে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।  আমাদের ফেসবুক পেইজ এ লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.